Breaking News
Home / অর্থনীতি / কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে তালেবানের অর্থনীতি-কর্মসংস্থান

কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে তালেবানের অর্থনীতি-কর্মসংস্থান

আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসার আগেই অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান নিয়ে চাপের মুখে তালেবান।

কেবল নিরাপত্তা নয়, ক্ষমতায় আসার আগে অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান নিয়েও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে তালেবানকে।
এ মুহুর্তে কে ক্ষমতায় আসবে তা নিয়ে মাথাব্যাথা নেই বেশিরভাগ আফগান নাগরিকের। তারা চান নিরাপত্তা, শান্তি এবং কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা।

আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তা তৈরি হয় নিরাপত্তা ইস্যুতে। ঝুঁকি বাড়তে থাকে কর্মসংস্থান নিয়েও। কাবুলবাসিরা বলছেন, ক্ষমতার পালাবদলে তাদের কিছুই যায় আসে না। তারা চান নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের নিশ্চয়তা।

সাধারণ আফগানরা চান না যেন নিরাপত্তা ও পেটের তাগিদে কোন যুবক যেন দেশ ছেড়ে না যায়। গোটা আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে এটাই তাদের প্রত্যাশা। জনগণের জন্য কাজ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করলেই তারা খুশি। সাধারণ কাবুলবাসিদের মধ্যে অনেকেই ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে তবে এর আগে তারা অবশ্যই চাকরিসহ অন্যান্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিতের দাবি করেছেন।

তালেবান দেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আজ প্রায় দুই সপ্তাহ হতে চললো। কিন্তু এখনও পুরোদমে স্বাভাবিক হয়নি রাজধানী কাবুলের অবস্থা। সেখানে এখনও বন্ধ রয়েছে বেশির ভাগ ব্যাংক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তাই ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আছেন অসংখ্য কাবুলবাসি।

তবে আফগান নারীরা রয়েছেন সবচেয়ে বেশি আতঙ্কে। শর্তসাপেক্ষে নারীদের শিক্ষা এবং কর্মক্ষেত্রে যোগদানে বাধা থাকবে না; তালেবানের এমন আশ্বাসেও কাটছে না শঙ্কা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আফগান নারী বলেন, ২০ বছর আগে তালেবান যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন এখানে ছিলাম না। তবে শুনেছি সেসময় তারা নারীদের কাজে যেতে দিতেন না। কিন্তু তারা এখন বলছে নারীরা সবকিছুতে অংশ নিতে পারবেন। জানি না কি হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী ৩১ আগস্ট আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের পরই তালেবানের নতুন শাসন সম্পর্কে সঠিক ধারণা মিলবে।

/এসএইচ

About parinews