Breaking News
Home / জাতীয় / গাইবান্ধায় চলছে তালের শাঁস বিক্রির ধুম

গাইবান্ধায় চলছে তালের শাঁস বিক্রির ধুম

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধাঃমধুর এই মাসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে হরেক রকমের সুস্বাদু ফল। ফলের তালিকায় রয়েছে, আম,জাম,কাঁঠাল,লিচু ছাড়াও অন্যতম আরেকটি ভিন্নধর্মী ফল তালের শাঁস। তাল ফলের নরম অংশটি খুবই সুস্বাদু।  প্রচন্ড গরমে তালের এই শাঁসটি শহর ও গ্রামের মানুষের কাছে খুবই প্রিয়।
বর্তমানে শহর থেকে শুরু করে গ্রামের বিভিন্ন অলিগলিতে এই মৌসুমী ফল তালের শাঁস বিক্রি বেড়ে গেছে। অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ীরা তাল গাছ থেকে অপরিপক্ক তাল ফল পাইকারী কিনে এনে কেটে কেটে বিভিন্ন দামে বিক্রয় করে। তবে নরম অবস্থায় তাল শাঁসের দাম অনেক বেশি। কিন্তু,দিন যতই যেতে থাকে এই তাল শাঁস ততই শক্ত হতে থাকে। তখন শাঁসের দাম কমতে থাকে এবং একসময় তাল পরিপক্ক হয়ে গেলে তখন আর এই শাঁস খাওয়া সম্ভব হয় না।
গাইবান্ধা জেলার প্রতিটি উপজেলার তালগাছগুলোতে কিন্তু কচি তালে ভরে গেছে। মধুমাসের এ ফলকে কেউ বলে তালের শাঁস, কেউ বলে তালকুর, কেউ বলে তালের আটি। গরমের মধ্যে তৈলাক্ত খাবারের চেয়ে তালের শাঁস অনেক উপকারী। এর রয়েছে অনেক গুণাগুণ। তাই জৈষ্ঠ্যের এ মধুমাসে বাজারে নানা ফল ওঠলেও গাইবান্ধার জেলার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তালের শাঁস।
গ্রীষ্মের এই দিনে গাইবান্ধায় তালের শাঁস খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার। তাই সবার হাতে পোঁছে যায় কঁচি তালের শাঁস। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তালের শাঁস বর্তমানে এর চাহিদা অনেক বেড়েছে। বিক্রেতা শাঁস কেটে সারতে পারছে না, ক্রেতারা দাঁড়িয়ে রয়েছে শাঁস নিতে।
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার প্রাণকেন্দ্র কালিবাড়ী বাজারে তাল শাঁস বিক্রেতা  আলমগীর বলেন, প্রতি বছরই এ সময়ে তালের শাঁস বিক্রি করে সংসার চালাই। গ্রামাঞ্চলে ঘুরে ঘুরে তাল ক্রয় করে গাছ থেকে পেরে এনে শাঁস বিক্রি করি। তবে গাছ উঠে, বাঁধা ধরে পাড়া সবচেয়ে কষ্টকর।
তিনি জানান, বৈশাখ থেকে জৈষ্ঠ্যের অর্ধেক পর্যন্ত এ দেড় মাস চলবে তালের শাঁস বিক্রির কাজ।প্রতিদিন প্রায় ২০০ থেকে ২৫০শাঁস বিক্রি করা যায়। একটি শাঁস আকার ভেদে ৫ থেকে ১০ টাকা দরে বিক্রি করেন। এতে প্রতিদিন তার ১০০০-১২০০ টাকা আয় হায়।
হামিদ মন্ডল নামে একজন  ক্রেতা জানান, এখন গরমের সময় রসালো এই ফল খুবই উপকারী ও সুস্বাদু। প্রচন্ড গরমে এ ফল শরীরের জন্য অনেক ভালো।

About parinews