Breaking News
Home / জেলা সংবাদ / গাইবান্ধায় শ্যালিকার সঙ্গে ছোট ভাইয়ের প্রেম, রাস্তা কেটে নিলেন বড় ভাই

গাইবান্ধায় শ্যালিকার সঙ্গে ছোট ভাইয়ের প্রেম, রাস্তা কেটে নিলেন বড় ভাই

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধাঃগাইবান্ধায় শ্যালিকার সঙ্গে ছোট ভাইয়ের প্রেমের সম্পর্কের জেরে বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা কেটে নিয়েছেন বড় ভাই। ঘটনাটি গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের ভাঙ্গা ডিপ বাজার এলাকায় ঘটেছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রতিকার চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন হামিম নামে আরেক ভাই। তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান মোসাব্বির হোসেন।
সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে জানা যায়, হাজিপাড়া-ডিপবাজার রাস্তার পূর্ব-দক্ষিণ পাশে মৃত সাহাবুদ্দিন প্রামাণিকের বাড়ি। তিনি ছিলেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহসিলদার। প্রায় ৪০ বছর আগে ওই বাড়ি করেন তিনি। বাড়িতে যাওয়ার জন্য তারই স্ত্রীর আত্মীয় আশরাফুল আলমের জমি দিয়ে রাস্তা তৈরি করা হয়।
পরবর্তীতে সাহাবুদ্দিনের ছেলে হাসিব প্রামানিকের সঙ্গে আশরাফুল আলমের মেয়ে আফরোজা বেগমের বিয়ে হলে, সাহাবুদ্দিন-আশরাফুলের সম্পর্ক আরও গভীর হয়। কিন্তু বর্তমানে রাস্তাটি কেটে নেওয়ায় এখন আর রাস্তা নেই। পরিণত হয়েছে জমির আইলে। আইলের দুপাশে লাগানো হয়েছে ধান।
স্থানীয়রা জানায়, মৃত সাহাবুদ্দিন তহসিলদারের পাঁচ ছেলের মধ্যে একজন হাসিব প্রামাণিক। তিনি পল্লী বিদ্যুতের মিটার রিডার হিসেবে কাজ করেন। তিন বছর আগে হাসিবের ছোট শ্যালিকার সঙ্গে (স্ত্রী মারা গেছে) তার ছোট ভাই হাসান হাবিবের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে কয়েক দফায় নিজেদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদও হয়। এর জেরেই গত বছর হাসিব শ্বশুরের জমি দিয়ে তৈরি হওয়া ছোট ভাইয়ের বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা দুপাশ থেকেই কেটে নেন। ওই বাড়িতে হাসিবের মাও থাকেন। 
মৃত সাহাবুদ্দিনের আরেক ছেলে শাহিন প্রামাণিকের স্ত্রী আখি বেগম জানান, রাস্তাটি প্রায় ৫ ফুট চওড়া ছিল। একটি অটো কিংবা ভ্যান অনায়াসে আসা-যাওয়া করতে পারত। গত বছর রাস্তাটি কেটে নেওয়ায় আমাদের চলাফেরা করতে খুবই অসুবিধা হচ্ছে। বিশেষ করে বৃষ্টির সময় বাচ্চাদের অসুবিধা হয়। বর্তমানে আইল সদৃশ রাস্তা দিয়ে বাড়িতে যাওয়ার সময় পা পিছলে পড়ে শাশুড়ি মোরশেদা বেগমের একটা হাত ভেঙে গেছে।

About parinews

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*