Breaking News
Home / জেলা সংবাদ / গোবিন্দগঞ্জে গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

গোবিন্দগঞ্জে গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধাঃগাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এক গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাকিল আকন্দ বুলবুলের বিরুদ্ধে। নির্য়াতনে অসুস্থ্য হয়ে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ওই গৃহবধূ। এদিকে মামলা না করতে ওই গৃহবধুর স্বামীকে চেয়ারম্যানের লোকজন বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগে রয়েছে। বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী।  
জানা গেছে, উপজেলার সামপরা ইউনিয়নের কৌচা কৃষ্ণপুর গ্রামের ওয়েছ কুরনির সঙ্গে একই ইউনিয়নের ভেলামারি গ্রামের আব্দুল করিমের মেয়ে কাওছার আক্তার কাকুলির প্রায় ১২ বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুজন মেয়ে সন্তানও রয়েছে। কিন্তু বেশ কয়েক মাস যাবৎ ওই ইউনিয়নের কোগারিয়া গ্রামের তোজামের ছেলে মাহবুর রহমান গৃহবধূ কাওছার আক্তার কাকুলির মোবাইল ফোনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বিষয়টি গৃহবধূর স্বামীসহ পরিবারের লোকজনের মধ্যে জানাজানি হয়। এরই একপর্যায়ে গত মঙ্গলবার এ বিষয়ে সালিশ বৈঠকও করা হয়। কিন্তু বিষয়টি মিমাংসা না হওয়ায় লম্পট মাহবুর রহমান চেয়ারম্যানের কাছে যায়। চেয়ারম্যান বুলবুল বুধবার রাতে সালিশের জন্য ওই গৃহবধূ ও তার স্বামীকে সাপমারা পরিষদ ভবনে ডেকে নেয়। সেখানে বিচারের নামে চেয়ারম্যান বুলবুল জনসম্মুখে ওই গৃহবধূকে লাঠি দিয়ে বেধরক মারপিট করে। এতে ওই গৃহবধূ অসুস্থ্য হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি হন। 
বিষয়টি নিয়ে মামলা না করতে চেয়ারম্যানের লোকজন ওই গৃহবধূর স্বামীকে ভয়ভীতি সহ নানা ভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছেন। ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী। নির্যাতিত গৃহবধূ অভিযোগ করে বলেন, বিচারের নামে অপরাধীদের বাঁচানো হয়েছে। আর চেয়ারম্যান আমার ওপর দোষ চাপিয়ে লাঠি দিয়ে মারধর করেছে। নির্যাতিত গৃহবধূর স্বামী ওয়েছ কুরনি বলেন, তার স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে আসার পর থেকে চেয়ারম্যানের লোকজন ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। সেইসাথে চেয়ারম্যানকে মামলায় না জড়ানোর জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। 
অভিযোগ অস্বীকার করে সাপমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাকিল আকন্দ বুলবুল জানান, সালিশে আমি না তার স্বামী তাকে মারপিট করেছে। এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দিন বলেন, বিষয়টি জানা নেই। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

About parinews