Breaking News
Home / জাতীয় / জামালপুর – গাইবান্ধা সংযোগকারী সেতু চাই। 

জামালপুর – গাইবান্ধা সংযোগকারী সেতু চাই। 


ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধাঃ এটা মোদের দাবি নয় অধিকার।  আর অধিকারের বাস্তবায়ন করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব।  গুরুত্বপূর্ণ এ জনদাবীর বাস্তবায়ন আরও কতদূরে!!!!!
একটি সেতু বদলে দিতে পারে আমাদের ভাগ্য । গাইবান্ধার সাথে জামালপুর সংযোগকারী সেতু/টানেল চাই, যেখানে সড়ক ও রেল উভয়ে থাকবে। উক্ত সেতুর মাধ্যমে রংপুর বিভাগের সাথে ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট বিভাগের সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের সাথে কমবে দূরত্ব , বাঁচবে সময় , সেই সাথে একটি ব্যাকাপ রুট হবে। 
 বরিশালে রেল গেলে দেশের চারটি বিভাগীয় শহর(রংপুর,ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল) চলে আসবে এক কাতারে। গাইবান্ধা সদর আসবে সরাসরি জাতীয় মহাসড়কের অধীনে এবং গাইবান্ধা হবে উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রাণ কেন্দ্র।
 এই সেতু রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে বিশেষ করে তিস্তা ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার জনপদ।  এত গুরুত্ব থাকার পরেও কেন জানি সরকারের অনীহা দেখা যায়। যা আমাদের বেশ ভাবাচ্ছে। সরকার আমাদের একটি মাত্র মহাসড়কের উপর দিয়েই সব সুবিধা দিয়ে বুঝাতে চায় আমাদের উন্নয়ন করছে, অথচ দেশের অন্যপ্রান্তে দেখা যাচ্ছে সরকার গচ্ছা দিয়ে একই প্রকল্প বারবার করছে।
 এত অপচয় হচ্ছে অথচ আমাদের একটা সেতু করে দিতে যত অনীহা। এগুলা হচ্ছে আমাদের উন্নয়নের অন্তরায় এর একটি সংকেত মাত্র বিশেষ করে তিস্তা অববাহিকায়। বাহে’র দেশ খ্যাত শুধু মাত্র তিস্তা অববাহিকার জনপদের জনসংখ্যাই ১ কোটির উপরে। বাংলাদেশের মোট আলু উৎপাদনের এক চতুর্থাংশ চাহিদা মেটাই আমরা তিস্তা অববাহিরকার ৫ জেলা। সেতু থাকলে এভাবে আমরা কৃষির পাশাপাশি শিল্পখাতেও সহযোগিতা করতে পারবো। 
 একটি সেতু হওয়া মানে সে এলাকার নদী শাসন হওয়া, যা আমাদের খুবই দরকার।  প্রতিবছর তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনার ভাঙ্গনে শুধু নদীর প্রস্থ বাড়তেছে, জনগণ হারাচ্ছে তাদের মূল্যবান জমি। এভাবেই স্বাবলম্বী মানুষরা গরীব হয়ে যাচ্ছে। তাই এ অঞ্চলের দারিদ্র্যের গ্রাফটার উন্নতি হচ্ছেনা। 
তারা বলেন দেশের কোন সরকারেই আমাদের ভাল চায় না, আমাদেরও তাই মনে হয়। আমাদের এ দরিদ্রতা নিয়ে দেশবাসী বেশ ভালই ট্রল করে, আদর করে নাম দিয়েছে মঙ্গা। সত্যিই দেশের খুব উন্নয়ন হচ্ছে, কিন্তু আমাদের হয়না। তাই বালাসী বাহদুরাবাদ সেতুও হয়না।
আশা করি যথাযথ কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিষয়টা বিবেচনা করবেন।

About parinews

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*