Breaking News
Home / জাতীয় / নোয়াখালীতে বীর বিক্রম হত্যার বিচারের দাবীতে সরকারি দপ্তরে দপ্তরে বিক্রম পরিবার 

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম হত্যার বিচারের দাবীতে সরকারি দপ্তরে দপ্তরে বিক্রম পরিবার 

হানাদার বাহিনীর সঙ্গে তুমুল লড়াই চালিয়ে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময় অর্জিত স্বাধীন বাংলায় ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে খেতাব প্রাপ্ত বীর বিক্রম বীরমুক্তিযোদ্ধার পরিবার। ঐতিহাসিক  নোয়াখালী জেলার বীর বিক্রম বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদের ক্রয়কৃত জমি অবৈধ দখল কারীদের হাত থেকে   বৈধদখল পাওয়ার চেষ্টা করায়, বীর বিক্রমের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালায় স্থানীয় কুলাঙ্গার চেয়ারম্যান বাহিনী। ৯ মাস যুদ্ধ চালিয়ে যে সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা  বীর বিক্রম পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে পশ্চিম বাংলার মানুষকে উপহার দিলো স্বাধীন বাংলা। সেই বাংলার মাটিতে রক্ত ঝড়ে বীর বিক্রম আব্দুল হামিদ।তিনি দীর্ঘদিন চিকিৎসায় থাকা কালীন আইসিইউতে ইন্তেকাল করেন।তিনি ইন্তেকালের স্থানীয় চেয়ারম্যান সন্থাস বাহিনীকে চাঁদা না দেওয়ার কারনে  মারধর করে শাহাপুর উপজেলার ১নং  ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যান গোলাম হায়দার কাজল।  এছাড়াও  ফরিদ  পিতা মৃত মকবুল আহম্মেদ, জাহাঙ্গীর আলম পিতা আব্দুল মান্নান, হাবিব পিতা অজ্ঞাতসহ আরো কয়েক জন সন্ত্রাসী মিলে, বীর বিক্রম আব্দুল হামিদের ক্রয়কৃত দোকান অবৈধ  দখল করেন। এমনকি পৈতৃক সম্পত্তিও দখল করার জন্য বীর বিক্রমকে বাড়ি হতে কয়েক টন রড-সহ বেশ কিছু নির্মাণ কাজের মালামাল উল্লেখ্য চেয়ারম্যান বাহিনী   নিয়ে যায়। এছাড়াও জানাযায়,  বীর বিক্রম পুত্র পালোয়ান সেলিমসহ তার পরিবারকে একাধিক  জীবন নাশের হুমকি প্রদান করে। জীবনের ভয়ে পালোয়ান সেলিম পৈতৃক  সম্পত্তি ও ক্রয়কৃত দোকান ফেলে গ্রীসে  প্রবাস জীবন বেচে নেন। পালোয়ান সেলিম গ্রীস থেকে দেশে ফিরে বীরপ্রতীক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ হত্যার বিচারের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর।  মন্ত্রী ও সচিবালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগের আলোকে আজ পর্যন্ত প্রাধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সচিবালয়, পুলিশ হেডকোয়াটার্স কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি  বলে জানাযায়।  অভিযোগ সূত্রে বীর বিক্রম হামিদের  পুত্র পালোয়ান সেলিম।বিচার না পাওয়ার কষ্টে পালোয়ান সেলিম, গণমাধ্যম কর্মী বিদ্রোহী কবি নীরব হাওলাদারকে জানান।  তাছাড়া ও বলেন  আমার পিতা বীর বিক্রম বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ হত্যাকারী আমার পিতার ক্রয়কৃত  দোকান ও পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করে ওপেনে বুক ফুলিয়ে চলাচল করছে।  আমি নিরাপত্তার অভাবে হয়েছি গ্রীস প্রবাসী।তিনি আরো জানান, জাতির  জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে গত ১৫/১২/১৯ ইং তারিখে লিখিত অভিযোগ করি। গত ২৩/০১/২০ ইং তারিখে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, গত ২৮/০২/২১ ইং তারিখে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, গত ১৪/০৩/২১ ইং তারিখে ডিজিএফআইসদর দপ্তর সেনানিবাস ঢাকা, ১৪/০৩/২১ ইং তারিখে স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ধানমন্ডি কার্যালয় ঢাকা, ০৯/৩/২১ ইং তারিখে মহা পরিচালক পুলিশ হেডকোয়াটার্স ঢাকা, ০৯/০৩/২১ ইং তারিখে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট স্বাধীনতা ভবন ৮৮ মতিঝিল ঢাকা,  ১৪/০৩/২১ ইং তারিখে সুরক্ষা বিভাগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ সচিবালয় ঢাকা, ২১/০৩/২১ ইং তারিখে ভূমি মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সচিবালয় ঢাকা, ১৮/০৩/২১ ইং তারিখে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় পরিবহন পুল ভবন সচিবালয় সংযোগ সড়ক ঢাকায় বীর বিক্রম বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ হত্যার বিচার ও সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য লিখিত ভাবে আবেদন করি। জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর হাত থেকে রাষ্ট্রীয় পুরুষকার প্রাপ্ত বীর বিক্রম বীরমুক্তিযোদ্ধা  আব্দুল হামিদ হত্যার বিচার দেশের সর্বোচ্চ স্থানে চেয়েছি। অভিযোগের দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত দেশের উচ্চ স্থান থেকে, বিচার ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। তাই বীর বিক্রম বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদের পুত্র পালোয়ান সেলিম, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সু-দৃষ্টি আকর্ষণ করে, পিতা হত্যার বিচার ও সম্পত্তি উদ্ধারে রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা চায়।

About parinews