Breaking News
Home / জেলা সংবাদ / পলাশবাড়ীতে ১৩ দিন থেকে স্কুলে উপস্থিতনেই শি্ক্ষক; জানেন না এটিও,টিও

পলাশবাড়ীতে ১৩ দিন থেকে স্কুলে উপস্থিতনেই শি্ক্ষক; জানেন না এটিও,টিও

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ১৩ দিন থেকে স্কুলে উপস্থিত নেই একজন সহকারি শিক্ষক  অনুপস্থিতির বিষয়টি জানেন না সরকারি শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার।জানা গেছে, উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের মরাদাতেয়া দনিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক  হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন মরাদাতেয়া গ্রামের হিরালাল সরকারের ছেলে নিরঞ্জন চন্দ্র সরকার।উক্ত শিক্ষকের নামে পলাশবাড়ী থানায়  সিআর ২৬৯/২১ আইনের ৪২০,৪০৬ ধারায় মামলা হলে গত ১০ মে থেকে নিরঞ্জন চন্দ্র সরকার গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে  আবদ্ধ রয়েছে যার কারনে তিনি বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছে। উক্ত শিক্ষকের সাময়িক বরখাস্ত চেয়ে ওই এলাকার ছাইফুল ইসলাম মন্ডল নামের এক ব্যক্তি উপজেলা শিাক্ষা অফিসার বরাবর আবেদন করেছেন।এদিকে তার অনুপস্থিতির বিষয়টি ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এটিও এবং টিও কাউকেই না বলে হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত না দেখে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার পায়তারা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ উঠলে বিষয়টি সাংবাদিকরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে অবগত করেন।এবিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মেহেদী খাতুন বলেন, আমি ১২মে বিষয়টি সহকারি শিক্ষা অফিসারকে মৌখিক ভাবে অবগত করেছি এবং ২৩ মে লিখিত ভাবে শিক্ষা অফিসারকে অবগত করেছি।জানতে চাইলে ওই ক্লাস্টারে দায়িত্বরত সহকারি শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলাম জানান,শিক্ষক নিরঞ্জন চন্দ্র সরকারের গ্রেফতার এবং স্কুলে অনুপস্থিতির বিষয়টি প্রধান শিক্ষক মেহেদী খাতুন আমাকে অবগত করেন নি।এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না,তবে আপনারদের কাছ থেকেই প্রথম শুনলাম।
এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাজমা খাতুন বলেন,সহকারি শিক্ষক নিরঞ্জন চন্দ্র সরকার গ্রেফতার ও স্কুলে অনুপস্থিতির বিষয়টি আমাকে প্রধান শিক্ষক এবং সহকারি শিক্ষা অফিসার কেউই অবগত করেন নি।আপনাদের কাছ থেকেই প্রথম শুনলাম এবং অবশ্যই উক্ত শিককে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে।ঘটনাটি ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মেহেদী খাতুন কাউকেই অবগত করেননি এ বিষয়টি দায়িত্বে অবহেলা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান,ঘটনাটা আপনারাও বুঝতে পারছেন আমিও বুঝতে পারছি,অবশ্যই প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে এবং এর কারনে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিনি।এদিকে ২৪ মে মঙ্গলবার সকাল ৯ টা ১০ মিনিটে ওই স্কুলে গিয়ে দেখা যায় স্কুলের মাঠে পতাকা উড়ছে কিন্তু স্কুলের সব কয়টি রুম বন্ধ কোন শিক বা শিাক্ষর্থী স্কুলে নেই।৯.৪৫ মিনিটে প্রধান শিক্ষক মেহেদী খাতুন স্কুলে উপস্থিত হয়ে তিনি জানান,আজ হরিণাবাড়ী স্কুলে খেলাধুলা আছে তাই কোন শিক্ষক বা শিাক্ষর্থী স্কুলে আসেনি। তাহলে পতাকা উত্তোলন করলো কে জানতে চাইলে তিনি জানান, হয়তো কমিটির লোকজন পতাকা  উত্তোলন করেছেন।

About parinews

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*