Breaking News
Home / জেলা সংবাদ / পলাশবাড়ীতে অকশন ছাড়াই প্রভাব নিয়ে সর. প্রা. বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন ভেঙে নেওয়া

পলাশবাড়ীতে অকশন ছাড়াই প্রভাব নিয়ে সর. প্রা. বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন ভেঙে নেওয়া

আবুল কালাম আজাদ, পলাশবাড়ী থেকে:
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর খামার জামিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে সরকারি দরপত্র (নিলাম) ছাড়াই ২টি রুম ভেঙ্গে নিচ্ছেন। বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনটি অকশন হয়েছে কি-না প্রধান শিক্ষিকা বলতে পারেন না। সরকারি নিলাম বিজ্ঞপ্তি ছাড়া পুরাতন ভবন এর দুটি রুম ভাঙায় এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকান্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ৫ জানুয়ারী সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার ৮নং মনোহরপুর ইউনিয়নের খামার জামিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত বছর ২ তলা নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়।

নির্মাণ কালেও পুরাতন ভবনের কিছু অংশ টেন্ডার ছাড়াই ফেঙে ফেলা হয়। অবশিষ্ট পুরাতন ভবনটি কোন অকশন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করা হলেও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুস সোবহান নিজস্ব প্রভাব খাটিয়ে এলাকাবাসীকে নিলাম হয়েছে বলে গুজব ছড়িয়ে ৩ ও ৪ জানুয়ারী বিল্ডিং এর দুটি রুম ভেঙে ফেলেন। নিলাম ছাড়া রুম ভাঙার ব্যাপারে উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আরজুমান ফারজানা সাথীর বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলেও মুঠোফোনে তার সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, ভবনটির নিলাম হয়েছে কিনা তা আমি জানিনা।

তবে প্রভাবশালী আব্দুস সোবহান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী আব্বাস আলীর কাছে টাকা জমা দিয়েছে বলে জানায়। অফিস সহকারী আব্বাস আলীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, এখনও উক্ত ভবনটির নিলাম বিজ্ঞপ্তি হয়নি। তবে ৬ জানুয়ারী নিলাম হওয়ার কথা রয়েছে। এব্যাপারে অত্র ক্লাস্টারের সহকারী শিক্ষা অফিসার ফিরোজ রশীদের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বললে তিনিও নিলাম না হওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ভবনটি ভেঙে আইন অমান্য করেছে। গতকাল ৬ জানুয়ারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুজ্জামান নয়ন জানান, আমি বিষয়টি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিক্ষা অফিসারকে অবগিত করছি।

পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাজমা বেগম ও অত্র ক্লাস্টারের এটিও ফিরোজ কবীরসহ অন্যান্য এটিও সামনে জিজ্ঞাসা করলে তিনিও বিষয়টি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের এটিওকে নির্দেশ প্রদান করলে এব্যাপারে প্রধান শিক্ষককে চিঠি দেন বলে এটিও সাহেব জানান। তবে ওই দিনে আরও একজন সহকারী শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উক্ত অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিজস্ব বলায়ে বিদ্যালয়ে জায়গা দিয়ে তার বাড়ীর সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেছে। শুধু তাই নয় বিদ্যালয়টিতে শিক্ষকদের ব্যাপক অনিয়মের কারণে শিক্ষার্থী নেই বললেই চলে। যা সরেজমিন প্রমাণ করবে।

About parinews