Breaking News
Home / জেলা সংবাদ / পলাশবাড়ীর বরিশাল ইউনিয়নে জন্ম নিবন্ধন পুজি করে করছে কামাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের জামাই

পলাশবাড়ীর বরিশাল ইউনিয়নে জন্ম নিবন্ধন পুজি করে করছে কামাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের জামাই

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি :
জন্ম নিবন্ধন পুজি করে করছে কামাই বরিশাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের জামাই । গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়ন পরিষদ হতে জন্ম নিবন্ধন নিতে নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। এরপরও সংশোধন তো হয়ই না আরো ভুলে ভরা থাকে। অনেকেই এসব হয়রানীর ভয়ে ইউনিয়ন পরিষদের ইউডিসি রশিদুল ও তার সহযোগী অত্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান সরকারের জামাই সৈয়দ আলী এর নিকট সরকারি রেট এর বেশী টাকা দিয়ে নিয়ে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন ও জন্ম সনদ গ্রহন করছেন। যারা তাদের চাহিদা মতো টাকা দিতে না পারে তাদের কে দিনের পর দিন ঘুড়াতে থাকেন ও সনদে নানা ধরণের ভুল রেখেই প্রদান করেন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আমিনুর রহমান।

জন্মনিবন্ধন উত্তোলন ও সংশোধন কে পুজি করে অর্থনৈতিক অনিয়মকারীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবীকরেন সচেতন মহল। স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান নানা অনিয়মের কথা। তারা বলেন জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য সৈয়দ আলী ও রশিদুল ২ শত হতে সাড়ে ৪ শতটাকা করে নিয়েছেন। এছাড়া ১২ হতে ১৩ শত টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেন অনেকেই। তারা আরো বলেন যদি মাইক দিয়ে এলাকাবাসীকে ডাকা যায় যে জন্ম নিববন্ধনে কত বেশী টাকা নেওয়া হয়েছে তাহলে হাজারো মানুষ বের হবে যারা হয়রানি ও টাকা বেশী নেওয়ার শিকার হয়েছেন।

উদ্যোক্তা রাশিদুল কে না পাওয়া গেলেও তার সহযোগী সৈয়দ আলী টাকা বেশী নেওয়ার কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন , উপস্থিত যারা আছে তাদের নিকট শুনেন কারো নিকট টাকা বেশী নেওয়া হয়নি। ৫০ হতে ৭০ টাকা নেওয়া হয় অথচ সেবাগ্রহনকারী অনেকেই বলেন ১শত টাকা হতে ১ শত ৫০ টাকা নেওয়া হয়েছে।

ইউপি সচিব আমিনুর রহমান বলেন,জন্ম নিবন্ধন উত্তোলন ও সংশোধন বিষয়ে কারো নিকট কোন প্রকার অর্থ বেশী নেওয়া হয়নি। টাকা বেশী নেওয়ার কথাটি মনগড়া কথা যাহা সত্য নয়। ভালো করে তদন্ত করে নিউজ করেন আমি কোন অনিয়ম করি নাই আমার এসব নিয়ে কোন ভয় করিনা।

বরিশাল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, জন্ম নিবন্ধনের জন্য টাকা বেশী নেওয়ার কথা নয় কারণ সরকারি নির্ধারীত মুল্যের চার্ট পরিষদে টাঙ্গিয়ে দেওয়ার জন্য সচিব কে নির্দেশ দিয়েছি। কোন চার্ট নাই এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায় কিংবা জনগণকে হয়রানির বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করেছেন কিনা তিনি বলেন এ বিষয়ে সচিবের সাথে কথা বলার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানাবো।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুজ্জামান নয়ন, বলেন হয়রানি করা হচ্ছে কথাটি সঠিক নয় কারণ সার্ভার জ্যামের কারণে অনেক সময় লাগছে। আমি নিজেও দিনে কয়েকবার চেষ্টা করে দেখি এটা সার্ভার জ্যামের কারণে দেরী হচ্ছে। আর টাকা বেশী নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

About parinews