Breaking News
Home / জাতীয় / সাঁওতাল ভূমিতে ইপিজেড নয়, বিক্ষোভে আদিবাসী-বাঙালি

সাঁওতাল ভূমিতে ইপিজেড নয়, বিক্ষোভে আদিবাসী-বাঙালি

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধাঃগাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সাহেবগঞ্জ বাণিজ্যিক খামারে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) স্থাপনের পরিকল্পনা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই জমিকে পৈত্রিক সম্পত্তি দাবি করে মঙ্গলবার (৭ জুন) দুপুরে উপজেলার কাটামোড় এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করে আদিবাসী সাঁওতাল ও বাঙালিরা। সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটি, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ, আদিবাসী-বাঙালি সংহতি পরিষদ, গাইবান্ধা সামাজিক সংগ্রাম পরিষদ এই বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। ‘সাঁওতাল ভূমিতে ইপিজেড নয়’ উল্লেখ করে বক্তারা সাঁওতালদের রক্তে ভেজা ফসলি জমি নষ্ট করে ইপিজেড স্থাপনের পরিকল্পনা বাতিলের দাবি জানান।
সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক ফিলিমন বাস্কের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল বারাকাত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক রুবায়েত ফেরদৌস, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন, এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা সভাপতি গোলাম মারুফ মনা, বাসদ নওগাঁ জেলা আহবায়ক জয়নাল আবেদিন মুকুল, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারাণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বাবু, গাইবান্ধা সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক জাহাঙ্গীর কবীর তনু, আদিবাসী-বাঙালি সংহতি পরিষদের নেতা গোলাম রব্বানী মুসা এবং অন্যান্যের মধ্যে দিপায়ন খিসা, আফজাল হোসেন, প্রবীর চক্রবর্তী, অশোক সরকার, মৃনাল কান্তি বর্মণ প্রমুখ।
উলেখ্য, ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর চিনিকল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ এসব জমিতে উচ্ছেদ করতে গেলে সাঁওতালদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে তিন সাঁওতাল শ্যামল হেমব্রম, রমেশ টুডু ও মঙ্গল মার্ডি নিহত হন। এই পরিস্থিতিতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (বেপজা) কর্তৃপক্ষকে ইপিজেড বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বেপজা সাহেবগঞ্জ এলাকায় ইপিজেড স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু স্থানীয় সাঁওতালরা এখানে ইপিজেড না করার জন্য আন্দোলন করে।

About parinews

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*