Breaking News
Home / জেলা সংবাদ / সাঘাটায় ৫শ পরিবার নদী ভাঙ্গনের স্বীকার ২০ হাজার মানুষ চরম দূর্ভোগ।

সাঘাটায় ৫শ পরিবার নদী ভাঙ্গনের স্বীকার ২০ হাজার মানুষ চরম দূর্ভোগ।

ছবি

সাঘাটা, (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ-
যমুনা নদীর অব্যহৃত পানি বৃদ্ধির ফলে সাঘাটা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানি বন্দি। তীব্র ভাঙ্গনে হলদিয়া ইউনিয়নের ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদী গর্ভে বিলীন। হুমকীর মূখে ২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার্ত মানুষের জন্য সরকারি কোন ত্রান সহায়তা নেই বলে জানালেন জনপ্রতিনিধিরা।

গত কয়েক দিন প্রবল বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে প্রায় ৫শ পরিবার নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বসত ভিটা হারিয়ে অন্যত্রে গিয়ে মানবেতর জীবন জাপন করছে। ৫টি ইউনিয়নের পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে প্রায় ২০ হাজার পরিবার। পানি বন্ধি মানুষের মধ্যে বিশুদ্ধ পানি, গোখাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়াও অনেক পরিবারের মধ্যে খাদ্য সংকটও দেখা দিয়েছে।

উপজেলা হলদিয়া ইউনিয়নে দক্ষিন দিঘল কান্দি, উত্তর দিঘলকান্দি , গাড়ামারা, পাতিলবাড়ী, সিপিগাড়ামারা মৌজায় ৩ থেকে ৪শ পরিবার নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। পানি বন্ধি হয়ে পরেছে প্রায় ৭ হাজার পরিবার। জুমারবাড়ী ইউনিয়নে ৫হাজার পরিবার পানি বন্ধী , ঘুড়িদহ ইউনিয়নে ২ হাজার, সাঘাটা ইউনিয়নে পানি বন্ধী ৪হাজার ও ২শ পরিবার নদী গর্ভে বিলীন এবং ভাঙ্গনের হুমকীর মূখে মুন্সির হাট , গোবিন্দী ও বাশ হাটা, ভরতখালী ইউনিয়নের ২শ পরিবার নদী গর্ভে বিলীন ও ২হাজার পানি বন্ধী মানুষ সহ উপজেলায় মোট ২০ হাজার মানুষ পানি বন্ধী হয়ে পড়েছে। এসব এলাকার শত শত একর জমির আমন ফসল, বিজতলা, শাকসবজি পানিতে তলিয়ে গেছে। হতাশা গ্রস্থ হয়ে পড়েছে পানি বন্ধী মানুষ।

এ ব্যাপারে জুমারবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রোস্তম আলী জানান, আমার ইউনিয়নের ওয়াবদা বাদের পূর্বা ালের মানুষ পানি বন্ধী হয়ে চরম মানবেতর জীবন যাপন করছে। অদ্যবধি পানি বন্ধী মানুষের জন্য সরকারি ভাবে কোন ত্রাণ সামগ্রী পাই নাই।

About parinews