Breaking News
Home / জেলা সংবাদ / সাদুল্যাপুরে অপহরণ মামলা তুলে নিতে বাদির নামে অপপ্রচার

সাদুল্যাপুরে অপহরণ মামলা তুলে নিতে বাদির নামে অপপ্রচার

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধা’র সাদুল্যাপুর উপজেলার দামোদরপুর  ইউনিয়নের পৃর্ব দামোদরপুর গ্রামের নাবালিকা মনিকা আকতার অপহরন ঘটনাকে ধামাচাপা দিয়ে মামলা থেকে রেহাই পেতে একের পর এক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় নানা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। মামলা তুলে ভয়-ভীতি ও হুমকীর দায়ে সাদুল্যাপুর থানায় ২টি সাধারন ডায়েরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।সম্প্রতি একটি ফেসবুক আইডিতে অপহরণ মামলার আসামীরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য একটি পোস্ট দেন।   এদিকে রিকশাচালক ছকু হত্যা মামলার প্রধান আসামি দাদন ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন ওরফে নেলচে আলমগীরের ভাতিজা রিপন মিয়া নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হয়েছেন একাধিকবার, খেয়েছেন গণধোলাইও। সাদুল্লাপুর শহরের কালীবাড়ির একটি কাপড়ের দোকানে গত চারদিন আগে কয়েক হাজার টাকার কাপড় নিয়ে উধাও হয় রিপন। শনিবার সকালে সাদুল্লাপুর বাজারের মাংসের দোকানে আবারও সেনাবাহিনীর পরিচয় দিয়ে মাংস নেয়ার সময় জনতা তাকে আটক করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে আটক করে রাখে। পরে ব্যবসায়ীদের পাওনা টাকা ফেরতের রঙ্গীকার করার পর বণিক সমিতির সভাপতি, সম্পাদক ও হাট ইজারাদারের হস্তক্ষেপে সে রক্ষা পায়।এরআগেও সাদুল্লাপুর শহর ও আশপাশের কয়েকটি বিকাশ ব্যবসায়ীর দোকানের টাকা চুরিরও অভিযোগ রয়েছে রিপনের বিরুদ্ধে।বিষয়টি সম্পর্কে সাদুল্যাপুর ব্যবসায়ী বনিক সমিতির সভাপতি স্বপনের সাথে কথা হলে তিনি জানা, রিপন কাপড়ের দোকানের ৪৮ শ’ বাকি টাকা না দেয়ায় তা ১৮ হাজার টাকা খাতায় লিখে তাকে আটকে রাখে। সংবাদ পেয়ে আমি সেখানে উপস্থিত হই এবং যাচাই করে প্রাপ্য ৪৮শ’ টাকা আদায় করে মালিককে প্রদান করি।সেখানে সেনাবাহিনীর পরিচয় দিয়ে প্রতারণার কথা শুনিনি। আর যদি প্রতারনা করেই থাকে তাহলে তো মামলা মোকদ্দমা বা অভিযোগ থাকতো। নিউজে অভিযুক্ত আলমগীরের সাথে কথা হলে তিনি জানান, রিপন আমার চাচাতো ভাতিজা। ছকু হত্যা ও মনিকা অপহরন মামলা ২টি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন আছে। আর এ ঘটনার সাথে আমাদের কি সম্পর্ক তা বোধগম্য নহে। মুলত মনিকা অপহরন মামলার মূলহোতা মোজ্জামেল ৩ মাস যাবৎ জেল হাজতে থাকায় আসামীরা রেহাই পেতে নানা কৌশল অবলম্বনসহ নানা মিথ্যাচার করে আমাদেরকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করছেন বলে জানান।

About parinews