Breaking News
Home / জেলা সংবাদ / সাদুল্লাপুরের আলোকিত মানুষ বেলাল হোসেন

সাদুল্লাপুরের আলোকিত মানুষ বেলাল হোসেন

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধাঃগাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলান  বেলাল হোসেন একজন আলোকিত মানুষ এবং পল্লী গ্রামের সুলতানা রাজিয়া পাঠগার প্রতিষ্ঠাতা। 
বেলাল হোসন শিক্ষায় কৃষি ডিপ্লোমা পাশ করে বেসরকারি এনজিওতে একটা প্রকল্পে চাকুরী করতেন। চিন্তা করলেন যদি আমার গ্রামে একটি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করি তবে এই সমাজ আলোকিত হবে। শুধু শিক্ষা গ্রহণ করে চাকুরীই করতে হবে এমন কথা প্রমান করলেন বেলাল হোসেন। পাঠাগারের পাশা-পাশি বেলাল হোসন ফটোকপি, কম্পিউটারের কাজ করেন, আর এই আয়ের একটা অংশ পাঠাগারে ব্যায় করেন। প্রতিষ্ঠাকালে নান বাধা বিপত্তী থাকা সত্তেও থেকে থাকেননী বেলাল হোসেন। মাত্র ২৭ টি বই নিয়ে ২০১৬ সালে তিল-তিল করে গড়ে তোলেন স্বপ্নের পাঠাগার। পাঠাগারটি ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ইং সালে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর থেকে তালিকাভূক্তিকরণ করা হয়। তালিকা ভূক্তিকরণ নম্বর গাই- ৩০, বর্তমানে ১ হাজারেরও বেশী বই রয়েছে পাঠাগারে। সুলতানা রাজিয়া পাঠগার গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ছান্দিয়াপুর গ্রামে অবস্থিত। গ্রাম থেকে উপজেলা শহর অনেক দূরে। তাই দূরের চিন্তা ভাবনা এবং গ্রামের শিশু-কিশোর এবং যুবকদের বই পড়ার কথা চিন্তা করেই পাঠাগার প্রতিষ্ঠা  করা। গ্রামের ছেলে মেয়েরা নানান ভাবে সময় অপচয় করেন, তারা যাতে ফ্রি বই পড়ার মাধ্যমে সময়কে কাজে লাগাতে পারে এই চিন্তা করেই পাঠগার। অনেক লোকজন বন্ধু-বান্ধব পাঠগার প্রতিষ্ঠা করার উৎসাহ দিয়েছেন, আজ দূর থেকে যখন একটি পাঠক বই পত্রিকা পড়তে আসে বেলাল হোসেনের এটাই সর্থকতা মনে করেন। বেলাল হোসেন পাঠাগারকে কেন্দ্র করে নান মূখী স্বেচ্ছা সেবী কাজ করে থাকেন, বাড়ী-বাড়ী গিয়ে বই বিতরন করা, ক্রীড়া প্রতিযোগীতা, গাছের চারা বিতরন, করণা কালীন সচেতনতা সৃষ্টি, শিক্ষামূলক প্রতিযোগীতা ইত্যাদী।বর্তমানে পাঠাগারের নিয়মিত সদস্য সংখ্যা ১০২ জন। বেলাল হোসেনের স্বপ্ন বাংলাদেশের প্রতিটা গ্রামে হবে একটি করে পাঠাগার।

About parinews

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*