কোন নিয়মনীতি নেই, গাইবান্ধায় কেজি স্কুলের পসরা বসেছে অলিগলি

0
90

আবুল কালাম আজাদ পলাশবাড়ী থেকেঃ গাইবান্ধা জেলায়
বাণিজ্যিকভাবে কেজি স্কুল এন্ড কলেজ ও কোচিংয়ের সেন্টার
ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নিয়মনীতি উপেক্ষা করে যত্রতত্রভাবে এসব
কেজি স্কুল ও কোচিং সেন্টার খোলা অব্যাহত রহিয়াছে।
গাইবান্ধাসহ ০৭(সাত)টি উপজেলায় এসব স্কুলসহ কোচিং
সেন্টারগুলোতে শিক্ষার্থী বৃদ্ধি পেলেও শিক্ষার মানের দিক থেকে
অপ্রতুল। কোথাও প্লে- গ্রুপ থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত। কোথাও
প্লে- গ্রুপ থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত। আবার কোথাও ৫ম শ্রেণী
থেকে একাদশ পর্যন্ত। সূলভ শর্তের শেষ নেই, আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রেও সূলভ।
সকলেই বড় বড় সাইনবোর্ড, বিল বোর্ড চোখের দেখার স্থানগুলোতে
ঝুলিয়ে রেখেছে। ভর্তির সুবর্ণ সুযোগ।
আবাসিক/অনাবাসিকতে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি চলছে। গরীব ও মেধাবী
ছাত্র-ছাত্রীর জন্য ব্যাপক সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। অভিজ্ঞ শিক্ষক
মন্ডলীদ্বারা পরিচালিত এসব স্কুল। আরও প্রচার করা হচ্ছে বিগত সময়ে
এসব কেজি স্কুল থেকে ছাত্র-ছাত্রীর পাশের ঘটনা প্রবাহ। শিক্ষার জন্য
এসো, সেবার জন্য বেরিয়ে যাও। এই প্রবাদ সামনে রেখে, ব্যাপক
বাণিজ্যের লক্ষ্যে কেজি স্কুলগুলো খুলে বসেছে। ২০২০ইং সালে পহেলা
জানুয়ারীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার
গুরুত্বরোপ করেছেন যাহা বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে।
শিক্ষা যদি এমন হয় বাণিজ্যিক, তাহলে শিক্ষার প্রসার ও আলো তড়িৎ
গতিতেই বৃদ্ধি হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানগুলোতে লক্ষ্য করা গেছে,
০৩(তিন) বছরের সন্তানদেরকেও মারা ভর্তি করার প্রবণতা লক্ষ্যনীয়।
কেজি স্কুলগুলোতে বারতি কোন শ্রেণীকক্ষ নেই। সবই কনজাস্ট, নেই
কোন খেলার মাঠ। শারীরিক, মানসিক কসরতের সুযোগ নেই। বারতি
যেমন, সরকারী-বে-সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক দিয়ে পাঠদান
করানো হয়। বিশেষ করে আরও লক্ষ্য করা গেছে যথাযথভাবে মাঠ না
থাকায় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় না। জেলা

ও উপজেলা শহরের দেখা দেখি অবস্থায় প্রত্যন্ত অঞ্চলেও এসব প্রতিষ্ঠান
গড়ার হিড়িক পড়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানগুলোর কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। যার
কারণে বাণিজ্যিকহারটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

2

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here