আলাই নদীর পানি কমতে শুরু করলেও সাঘাটার কচুয়া ইউনিয়নের ৩টি গ্রামে ভাঙ্গন অব্যহত রাস্তা-ঘাট ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

0
106

 

সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি ঃ
আলাই নদীর পানি কমতে শুরু করলেও গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের ৩টি গ্রামে ভাঙ্গন অব্যহত রয়েছে।
নদী ভাঙ্গনে প্রায় ৩শ’ পরিবার গৃহহীন। রাস্তা-ঘাট ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এবং এখনও প্রায় ৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি। ভাঙ্গন কবলিত এলাকা সাঘাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর পরিদর্শন করেছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, আলাই নদীর পানি কমতে শুরু করলেও উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের রামনগর, পশ্চিম কচুয়া, চন্দনপাঠ সহ ৩টি গ্রামে নদী ভাঙ্গনে প্রায় ৩শ’ পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। প্রবল পানির স্রোতে বোনারপাড়া-মহিমাগঞ্জ সড়ক হইতে আগ কচুয়া সাবেক ইউপি সদস্য তাহের মিয়ার বাড়ীর রাস্তায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর গ্রামীণ রাস্তা প্রকল্পের আওতায় ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৮শ’ ৯১ টাকা ব্যয়ে সেতু কালভার্ট ব্রীজ নির্মাণের বছর পার হতে না হতেই বন্যায় প্রবল স্রোতে ধ্বসে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে রামনগর থেকে উপজেলা সদরের যোগাযোগ রাস্তা ভেঙ্গে গিয়ে মানুষ সহ যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ ও পানিবন্দি মানুষদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কর্মজীবি মানুষদের কর্ম না থাকায় অনেক শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে খাদ্যাভাব দেখা দিয়েছে।

এছাড়াও পদুমশহর, বোনারপাড়া ও কামালেরপাড়া ইউনিয়নের আলাই নদীর তীরবর্তী এলাকার রাস্তা-ঘাট বিচ্ছিন্ন সহ অনেকে এখনও পানিবন্দি রয়েছে। কচুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবর রহমান জানান, আমার ইউনিয়নে ঈদ-উল-আয্হার পূর্ব পর্যন্ত নদী ভাঙ্গন ও পানিবন্দি মানুষের জন্য সরকারী বা বে-সরকারী সংস্থার কোন প্রকার ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয় নি। তবে গত মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার এ্যাড. ফজলে রাব্বী মিয়া এম.পি’র সার্বিক সহযোগীতায় রামনগর গ্রামের অসহায় দরিদ্রদের মাঝে সাঘাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির শুকনো খাদ্য বিতরণ করেছেন।

2

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here